Saturday, 17 February 2018

মুখ (The Face)




©জ্যোতির্ময় রায়



আঙুলে ছুঁয়ে গেছে কাঁটাতার ...
থুঁতু দিয়ে আটকানো তসবির ।
জীবন চাইছে আরো বেশি
নিজেকে একলা ভাবছি যতই ,লাইনে তত ভিড় ।।

পিছন ফিরে দেখা ,আবছা ছায়া
রাস্তা মেপেছি যতই ,সব'ই মায়া ।।

রাতের সূর্য নাকি চাঁদ ওই ?
গ্রহণ লাগে ,যখন'ই তোকে গল্পে মেশা'ই ।।

এরপর হঠাৎ হামলা বলে ,জ্বলে আরশিনগর
চোখের ভিতর আকাশ ,আকাশ মিশেছে ছায়াপথে এরপর।।

Friday, 16 February 2018

রংমশাল



©জ্যোতির্ময় রায়




আরো একটু আগুন ছুঁয়ে গেছে ঠোঁট ,
সেহিসাব মেলেনি আর ,সিঁড়িতে উঠতে হোঁচট ।।

তারপর পুড়েছে সিগারেট ক্লান্তিহীন চোখে ,
পা টিপে টিপে চলা হল শুরু অন্ধকারকে দেখে।।

কাঁটাতার গুলো বেওয়ারিশ গল্প লিখেছে অন্যকোনো ডাকনাম''এ,
"মুখচোরা ,আমিও জানি চোখ ফিরিয়ে নিতে ।।"

যে ইটপাথরে এঁকেছি সস্তার স্বপ্নগুলোর ঘর ,
"তোকে'ই" দিলাম এই আলোর মাঝে কাঁপতে থাকা শহর।।


না'হয় হলাম পরিযায়ী ,আরও একটু অচেনা,
আমি সেথায় হারালাম ,ভুল করে আর খুঁজো না ।।


Tuesday, 13 February 2018

চোখের জানালায়



আজকাল আমিও অনেক বানিয়ে বলি কথা ,
চোখের ভিতর চোখে জল জমেছে ,বৃষ্টি হয়নি'তা ।।

ঘুম কিনছে রাত্রি ,উপোসি একাদশী ,
হয়তো তোকে নিয়েই ভাবাটা বাড়াবাড়ি একটু বেশি ।।

এভাবেই হয়তো রাতের মাঝে আমিও হারাবো ঠিক ,
জঠরে কথার যন্ত্রণা ,জমুক তবে ,দেশলাই সেও জ্বালিয়ে নিক ।।

একদিন আমিও কথার মাঝে ফুরাবো কোনো গল্পে ,
চোখের তারায় আলোআধারী'ই থাক আমার দেওয়ালে ।।

দেশ ছেড়েছি ,পায়ের তলায় নেই মাটি
একখানা আস্ত আকাশ চশমায় এঁটে এখন হাঁটি ।।

আজ বা কাল



©জ্যোতির্ময় রায়



ট্রেনের জানালায় ফুরফুরে শীত ছোঁয়া বাতাস
দূর ,ওই যে দূরে সরে সরে যায় গাছ ,কথারাও নেয়  আজকাল দীর্ঘনিশ্বাস ।।

দূর,সে নয় দূর তবে।সাড়ে পাঁচ ইঞ্চিতে আটকানো দেওয়াল।
 শুধুই ফিলিংস রেখো ভুলে,ফুলে।আজ না হলেও দেখা হবে কাল ।।

ক্লান্ত রাতের স্বপ্ন গুলো ল্যাম্পপোস্টময় গন্ধ ছড়ায় ।
ভিড় ট্রেন ,কিংবা ভিড় বাসে ,ট্রাফিক পেরিয়ে সেও যায় ।।

ভুল ঠিকানায় মাঝে মাঝে পরে পা ,পিছলে গিয়ে শেখা।
রিক্স টা ফিক্স রেখে ।দিদি ,আজ বা কাল ফের হবে  দেখা ।।

Monday, 8 January 2018

I am Lucky again...



সেদিনও মেঘ ছিল আকাশে ,নাঃ বৃষ্টি হয়নি তবে ।লোড শেডিং ছিল তিন ঘন্টার ।প্রতিদিনের মতো সেদিনও কিছু লিখবো বলে দূরে ওই জানালার বাইরে তাকিয়ে আছি ...। নাঃ ,আমি আজও শব্দহীন ,যেন শব্দ শেষ হয়ে গেছে আমার ।ফেসবুক খুলেই টাইম লাইনে দেখি প্রথমেই দেখি একটা মেয়ের ফেন্ড সাজেশন । বেশ অন্য রকম যেন ,প্রোফাইল ঘাটতে শুরু করেদিলাম ,বাঃ এও লেখে ,। আমি এত সহজে যেমন ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট সেন্ড করি না, ঠিক তেমনি accept ও করি না এখনও,এমনকি কথাও বলি না মেসেঞ্জারে সাধারণত। জানি না কি কারণে ফ্রেন্ড রিকেউস্টটা আমিই সেন্ড করলাম ,জানি না কবে সে একসেপ্ট করেছে  । 7ই অক্টোবর ,হ্যাঁ আমার মনে আছে ,তার বার্ড ডে , “Happy birthday” is the 1st message to her and the  day she was  send me the 1st message to  me on 12 doctor 'hi” at,1.50 am.
My reply was “hi ,good night “ at 2.22 am
One thing I have to say that , “কিছু কিছু সময় ,কাউকে কোনো কারণ ছাড়াই ভালো লেগে যায় ,জানি না কেন ভালো লেগেছিল তাকে আমি জাস্ট তার প্রোফাইল ঘাটতাম কিন্তু মেসেজ করার সাহস হয়নি,মেসেজ করেও বা কি বলবো তাকে এই সাত পাঁচ ভাবতে ভাবতে আর মেসেজ করা হতো না ,and I never accept that she sent me the 1st messege ,may God heard my voice ,or may I was lucky on that day . And. আমি জানি না কবিতা গুলো যেন তারপর থেকে প্রাণ পেতে শুরু করলো ।
And her 2nd message was on the next day

“তোমার অনুগল্প গুলো কিন্তু দারুন”
That's one of my greatest succes ever, যে যাকে মেসেজ করতে গেলে আমার ভাষা হারায় সেই মেসেজে আমার লেখা পড়ে তার তারিফ করছে .আমি ভেবে পাইনি কি বলবো প্রথমে ,আসলে আগে কোনোদিন লিখিনি অনুগল্প ।1st response from her ,I get confidence to write again .তারপর থেকে শুরু হলো কথা ,
“Good night” was the Word I used to start to talking with her . I just forgot words ,I couldn't get the words ,what I say to her? .
যাই বলি সব যেন কেমন কবিতা হয়ে যায় শুধু ।এখনো পর্যন্ত বুঝতে পারি না কিভাবে কথা শুরু করবো ,কি ভাবে কথার পর কথা সাজাবো । একটা হাল্কা ভয় কাজ করে যেন ,তবুও মনে হয় সব কিছু তাকে বলা যায় ,সব কিছুই ।
তাকে বোঝবো কি করে যে তাকে কেন যেন ভালো লেগে গেছে আমার ,অথচ তাকে কোনো দিন দেখিনি ,তবুও মন হচ্ছে যেন হাজার বছর আগে থেকে তাকে আমি চিনি । সে যেন খুব কাছের কেউ । নাঃ বলতে কিন্তু পারিনি প্রথমেই । তার পর একদিন পোস্ট করলাম “একটা গুন্ডা টাইপের প্রেমিকা চাই ,যে আমার কলার ধরে ,এক ঘুষি তুলে বলবে ,যেন আর অন্য কোনো মেয়ের দিকে না তাকাই” ।

Yes , সে ,সেই প্রথম মেসেজ করল ,দারুন পোষ্ট ।
এবার ইরকির ছলে সাহস করে বলেই ফেললাম ,”হবে নাকি এরকম gf ,তোমার কাছে ,সঙ্গে 2 টো স্মাইলি”
“না ,না …..হা হা”

কিছু কিছু লেখা শুধু মাত্র Particularly for one person  এর জন্য হয় । ঠিক সেরকমই লেখা পোস্ট করতাম ফেসবুকে ,সে পড়ত ,আর বলতো বলে দাও মেয়েটাকে ,সাহস দিত আমাকে ,সে নিজেই বলতো যে “দাও আমিই বলে দিচ্ছি”
আরে বাবা তার কথাই তো তাকে বলছি ।
বলতে পারছি না তাই I told her indirectly .
এরকম চলতে থাকল দু তিন  দিন । প্রতিদিনই ভাবতাম নাঃ বলবোই এবার ,কিন্তু ওই যে ভাষা হারিয়ে যায় ,ইচ্ছে করে শুধু তার ছবিতে তাকিয়ে থাকি সারাক্ষণ ...হমম তার চোখ ,ঠোঁট ,গাল ,আর গালের ওই তিলে দিকে তাকিয়ে যেন থাকা যায় সারা দিন সারা রাত । বন্ধুরা বলতো ,মেয়েটিকে দেখিস নি ,জানিস না ,হঠাৎ প্রেম হয়ে গেল ? ,সত্যি তো ? কত টুকু বা জানি তাকে ,কতটুকু বা চিনি আমি ,সেও বা কতটুকু জানে আমায় ? তবুও কোথাও যেন অভিকর্ষ কাজ করে ।
বললাম at লাষ্ট । সেও বুঝতেই পেরেছিলো তার কথা তাকেই বলছি । তবে বলতে কিন্তু একবারে পারিনি ,বলতে বলতে ভোর হয়ে গিয়েছিলো সেদিন । হ্যাঁ তারিখ টা মনে আছে 16 octbr .একটা বড় নিশ্বাস নিয়ে বলেই দিলাম ,কিন্তু ..তাকে কিছুতেই বোঝাতেই পারছি না “সে” হল সেই মেয়েটাই ,হয়তো বুঝেছিল আগেই ,তার কথা তাকেই বলছি ,কিন্তু আমি ভয় পাচ্ছিলাম ডিরেক্টলি বলতে ,যদি বন্ধুত্বটাই না থাকে ,মেয়ে দের ব্যাপারে একটু  ভীতু আমি । সেই ছোট বেলা থেকেই । যাক একটা বড় দম নিয়ে বলেই দিলাম ডিরেক্টলি ,And I was off the Data connection  just when I told her directly , because I didn't want to see the reply from a”big NO” I couldn't bear that .

I was lucky again ,No ,there was not a reply with “NO” and “you can't send any messes to that conversation”
I like to thank to God again ,that there is a message for me “ বড় ভীতু তুমি ,এটা বলতে ভোর করে দিলে”
“আমি তো একটা ভোরই চেয়েছি ,রাত্রির পর ,আরও একটু আলো”
And You is the light of dawn ,and I am very lucky that I get You .

Sunday, 29 October 2017

দীপাবলী নিয়ে কিছু কথা

বাংলায় ‘দীপাবলি’, হিন্দিতে ‘দিওয়ালি’-যার সংস্কৃত অর্থ “প্রদীপের সারি”। এই দিন হিন্দুরা ঘরে ঘরে ছোটো মাটির প্রদীপ জ্বালেন। এই প্রদীপ জ্বালানো অমঙ্গল বিতাড়নের প্রতীক। হিন্দু ধর্মশাস্ত্র মতে, কালী হচ্ছেন অগ্নির সপ্তম জিহ্বা আর অগ্নি হচ্ছেন স্বয়ং ঈশ্বর; যা কালী বা শ্যামা নামে ভক্তদের কাছে উপস্থিত হয়। মাতৃ আরাধনার আরেক রূপ হচ্ছে শ্যামা পূজা। দীপাবলি হচ্ছে এই পূজার অন্যতম আকর্ষণ। এই দিন বাড়িঘর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে সারা রাত প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখলে ঘরে লক্ষ্মী আসেন বলে হিন্দুরা বিশ্বাস করেন।


হিন্দু পুরাণ মতে, দেবী কালী- দুর্গারই একটি রূপ। সংস্কৃত ভাষার ‘কাল’ শব্দ থেকে কালী নামের উৎপত্তি। কালীপূজা হচ্ছে শক্তির পূজা। জগতের সব অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে শুভশক্তির বিজয়ের মধ্যেই রয়েছে কালীপূজার মাহাত্ম্য। কালীদেবী তার ভক্তদের কাছে শ্যামা, আদ্য মা, তারা মা, চামুণ্ডি, ভদ্রকালী, দেবী মহামায়াসহ বিভিন্ন নামে পরিচিত।


উত্তর ভারতীয় হিন্দুদের মতে দীপাবলির দিনেই শ্রীরামচন্দ্র চৌদ্দ বছরের নির্বাসনের পর অযোধ্যা ফেরেন। নিজের পরমপ্রিয় রাজাকে ফিরে পেয়ে অযোধ্যাবাসীরা ঘিয়ের প্রদীপ জ্বেলে সাজিয়ে তোলেন তাঁদের রাজধানীটাকে। এই দিনটিতে পূর্বভারত বাদে সম্পূর্ণ ভারতবর্ষে লক্ষ্মী-গণেশের পুজোর নিয়ম আছে। জৈন মতে, ৫২৭ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে মহাবীর দীপাবলির দিনেই মোক্ষ বা নির্বাণ লাভ করেছিলেন। ১৬১৯ খ্রিস্টাব্দে শিখদের ষষ্ঠ গুরু হরগোবিন্দ ও ৫২ জন রাজপুত্র দীপাবলির দিন মুক্তি পেয়েছিলেন বলে শিখরাও এই উৎসব পালন করেন। আর্য মাজ এই দিনে স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতীর মৃত্যুদিন পালন করে। তারা এই দিনটি “শারদীয়া নব-শস্যেষ্টি” হিসেবেও পালন করেন।


দীপাবলি ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মায়ানমার, মরিশাস, গুয়ানা, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো, সুরিনাম, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ফিজিতে একটি সরকারি ছুটির দিন।


প্রত্যেক সার্বজনীন আনন্দের উৎসব মন্দের বিরুদ্ধে ভালোর জয়কে উদযাপন করে। আলোকসজ্জার এই দিবস অন্ধকারের বিরুদ্ধে আলো জ্বালার দিন। নিজের ভেতরের বাহিরের সকল অজ্ঞতা ও তমঃকে দীপ শিখায় বিদূরিত করার দিন। প্রেম-প্রীতি-ভালবাসার চিরন্তন শিখা প্রজ্বলিত করার দিন। দেশ থেকে দেশে, অঞ্চল থেকে অঞ্চলে- এই দিনের মাহাত্ম্য ভিন্ন ভিন্ন; তবু মূল কথা এক। আর আধ্যাত্মিকতার গভীর দর্শনে এই দিন- আত্মাকে প্রজ্বলিত করে পরিশুদ্ধ করে সেই পরমব্রহ্মে লীন হওয়ার দিন।


কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এ প্রসঙ্গে বলেছেন-
‘‘ঘরে ঘরে ডাক পাঠালো
দীপালিকায় জ্বালাও আলো,
জ্বালাও আলো, আপন আলো
সাজাও আলোয় ধরিত্রীরে।’’


তথ্য- উইকিপিডিয়া


Thursday, 26 October 2017

সাম্যবাদ

সাম্যবাদ

        

........শূন্যস্থান অপশনহীন
মস্তিষ্কে চাপানো বিরাট বড়ো পাথর
বিবেকের মৃত লাশের মিছিল
একবিংশ শতাব্দীতে ...মোমবাতি জ্বলছেনা।
সিগারেটের ধোঁয়ায় ধোঁয়াশা পৃথিবীর বুকে
রক্ত নদীতে সন্তান হারা মায়ের দুফোটা অশ্রু বিন্দু।
ধর্ম তুমি আসলে কি বলোতো ?
ব্যাবসা নাকি আত্মিক ?নাকি প্যারা আত্মিকত্বায়
করো বিবাদ ..সারা সংসারময় ?
ফুটপাতে শীতের কাঁপছে শিশু
মোমবাতি বিক্রি করে সেও ,
বাবা নিঁখোজ কবে ?
রাজপথে চলন্ত বাসে ছিঁড়ে খেল নির্ভয়া
রোজ কত কেরসিন তেলে জ্বলছে নতুন বধুর  শরীর
পণের বোঝায় ভেঙ্গে গেছে মেরুদন্ড বধুর পিতার
ধর্ষিত বোনের নেই সমাজে ,আগুন পায় না সে চিতার ।
রাজা আজও উলঙ্গ
সবাই জানে ,প্রশ্ন করার কেউ নেই,
সবার লাগে যে ভয়
ভগবান কুম্ভকর্ণ ।
"তোমায় কেউ ঠকাচ্ছে ,তুমিও ঠকাও যাকে পারো "
এটাই নিময় ..নিময় না মানলে ঠকবে সারাজীবন।
যা তোমার পাপ্য তা না পেলে ছিনিয়ে নাও
নাহলে অন্য কেউ ছিনিয়ে নেবে ।
এই সংসারে কেউ যে কারো নয় ।
সব মস্তিষ্ক বিকৃত ,উল্টো সব পথ
বাঁচতে তোমায় হবেই ,মৃত আজ সাম্যবাদ ।।